ই-পেপার

বরিশালে অবৈধ নৌযানের বিরুদ্ধে অভিযান: অর্ধ লাখ টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১

কীর্তনখোলা নদীতে অবৈধ নৌযান বন্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ নৌ পরিবহন অধিদপ্তর। র‌্যাব এবং নৌ-পুলিশের সহায়তায় মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নগরীর চরকাউয়া এবং ডিসি ঘাট এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের উপ-সচিব ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বদরুল হাসান লিটন।

এসময় লাইসেন্স, সনদ ও জীবনরক্ষা সামগ্রী না থাকায় পাঁচটি অবৈধ স্পিডবোট চালককে ১০ হাজার করে মোট ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের চিফ ইন্সপেক্টর মো. শফিকুর রহমান জানান, ‘নৌ-নিরাপত্তা ও যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অবৈধ নৌযান বন্ধের জন্য সঠিক পথে সঠিক নৌযান চলাচলের জন্য এই অভিযান।

নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের উপ-সচিব ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বদরুল হাসান লিটন বলেন, ‘এখানে আমরা অভিযান করে ৫টি অবৈধ স্পিডবোট আটকের পর জরিমানা করে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। যাদের জরিমানা করা হয়েছে তারা হলেন, রুবেল, জুয়েল, ইয়ামীন, মিরাজ ও রুবেল। আইসিও ১৯৭৬ এর ৩৩, ৫৬ ও ৬৬ ধারায় তাদের এ জরিমানা করা হয়।

তিনি বলেন, স্পিডবোর্ট ছাড়াও ড্রেজার, বালুবাহী বাল্কহেড, যাত্রীবাহী নৌযানেও অভিযান করা হয়েছে। অভিযানকালে আমরা দেখেছি অনেকেরই সার্ভে এবং রেজিস্ট্রেশন নেই। অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল আইন ১৯৭৬ এর ৩৩ ধরায় বলা আছে সার্ভে এবং রেজিস্ট্রেশন বিহীন নৌ চলাচল নিষিদ্ধ।

এখানে কারো কাছেই সার্ভে এবং রেজিস্ট্রেশন নেই। সেই সাথে ৫৬ ধারায় বলা আছে জীবন রক্ষা সামগ্রী যেমন লাইফ বয়া, লাইফ জ্যাকেট, অগ্নি নির্বাপণ যন্ত্র থাকতে হবে। এগুলোও আমরা পাইনি।

তিনি বলেন, ‘যারা মাস্টার, ড্রাইভার, সুকানি আছেন তাদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যে সনদ থাকার কথা সেটিও অনেকের কাছে ছিল না। যা নৌ নিরাপত্তা আইনের ৬৬ ধারায় পড়েছে। এগুলো না থাকার কারণে দুর্ঘটনা গুলো ঘটে থাকে। তাই এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন