ই-পেপার

মারা যাচ্ছে সামুদ্রিক ডলফিন, তিমিসহ বিভিন্ন প্রজাতীর প্রাণী

এ.এম মিজানুর রহমান বুলেট, কলাপাড়া | আপডেট: সেপ্টেম্বর ৮, ২০২১

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় সাগর তীরে একের পর এক সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী ডলফিন, তিমিসহ বিভিন্ন প্রজাতীর প্রাণী মৃত অবস্থায় ভেসে আসছে। সাগরের ট্রলিং ফিস ও ট্রলারের ধাক্কায়, সাগরে জেলেদের জালে প্যাচিয়ে অথবা সামুদ্রিক বিষাক্ত শৈবাল খেয়ে এসব সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রানী ডলফিন, তিমিসহ বিভিন্ন প্রজাতীর সামুদ্রিক প্রানী মৃত্যুবরণ করছে বলে এ নিয়ে গবেষনায় সংশ্লিষ্টরা অভিমত ব্যাক্ত করেছেন।

বুধবার সকাল দশটায় সৈকতের তেত্রিশ কানি পয়েন্টে স্থানীয়রা ডলফিনটি দেখতে পায় ৬ ফুট সাড়ে চার ফুট দৈর্ঘ্যেও দু’টি শুশক প্রজাতির একটি মৃত ডলফিন। পরে ডলফিন রক্ষা কমিটিকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

ডলফিন রক্ষা কমিটির সদস্যরা জানান, এ ডলফিন দু’টির শরীরের উপরিভাগের চামড়া অনেকটা উঠে গেছে। ধারনা করা হচ্ছে এটি জেলেদের জালে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে তিন থেকে চার দিন আগে মারা গেছে। বন বিভাগ ও মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তাদের বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে বলে তারা জানান।

পটুয়াখালী জেলা বন বিভাগের কর্মকর্তা তারিকুল ইলসাম জানান, মৃত এ ডলফিনটি সংরক্ষন করা হবে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে এটির ময়না তদন্তকরা হবে বলে তিনি জানান।

এ ব্যাপারে বেসরকারী একটি প্রতিষ্ঠান ইকোফিস প্রকল্প-২ এর সহকারী গবেষক সাগরিকা স্মৃতি বলেন, গভীর সমুদ্রে সাগরের ট্রলিং ফিস ও ট্রলারের ধাক্কায়, সাগরে জেলেদের জালে প্যাচিয়ে অথবা সামুদ্রিক বিষাক্ত শৈবাল খেয়ে এসব সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী ডলফিন, তিমিসহ বিভিন্ন প্রজাতীর প্রাণী মৃত্যুবরণ করতে পারে।

বুধবার যে দু’টি ডলফিন কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এসেছে তার নমুনা সংগ্রহ করে আমরা ফরমালিন দিয়ে রেখেছি। এ নমুনা বাংলাদেশ কৃষি বিশ^বিদ্যালয়ের গবেষনা শাখায় পাঠানো হবে। সেখানের পরীক্ষার পরই বলা যাবে এসব সামুদ্রিক প্রানী মারা যাবার প্রকৃত কারন।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন