ই-পেপার

নলছিটির রানাপাশা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে জনসমর্থনে এগিয়ে খালেক মাস্টার

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট: March 3, 2021

নলছিটি উপজেলার সবগুলো ইউনিয়ন পরিষদে বইছে নির্বাচনী হাওয়া।ইতিমধ্যে বিভিন্ন ইউনিয়নে একাধিক প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়নের জন্য জনসমর্থন আদায় এবং নানাবিধ প্রচার প্রচারনা নিয়ে মাঠে রয়েছে।অন্যান্য ইউনিয়নের মত নলছিটি উপজেলার রানাপাশা ইউনিয়নে রয়েছে একাধিক প্রার্থী।চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিকায় রয়েছে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের বর্তমান সাধারন সম্পাদক এবং দুর্দিনে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সক্রিয় ও ত্যাগী নেতা খালেক মাস্টার,ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আঃ হামিদ মোল্লা,বর্তমান চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান সালাম,সাবেক ইউপি সদস্য আবু সুফিয়ান,মোঃশাহজাহান হাওলাদার ও মোঃ জামাল হাওলাদার প্রমূখ।
সরেজমিনে সাধারন ভোটারদের সাথে কথা বলে দেখা গেছে তাদের অধিকাংশেরই সমর্থন রয়েছে খালেক মাস্টারের প্রতি,কারন হিসেবে তারা যুক্তি দেখিয়েছেন যে,খালেক মাস্টার দীর্ঘদিন পর্যন্ত স্থানীয় রাজনীতির সাথে জড়িত,যেকোন বিপদে আপদে তাকে পাশে পাওয়া যায় এবং তিনি পেশায় একজন শিক্ষক হওয়ায় তিনি ভদ্র এবং সামাজিক মানুষ।তাছাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের বেশীরভাগ নেতাকর্মীরা খালেক মাস্টারকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান।গোপন সূত্রে জানাগেছে ইউনিয়নের নয়টি ওয়ার্ডের সাতটি ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সেক্রেটারীগন জেলা উপজেলার আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ এবং ঝালকাঠী জেলার রাজনৈতিক অভিভাবক আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু বরাবর খালেক মাস্টারকে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দেয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন এবং সে মোতাবেক মাঠে কাজ করতেছেন।এসকল বিষয় বিবেচনায় এবং সার্বিকভাবে অন্যান্য প্রার্থীদের চেয়ে জনসমর্থনে এবং মাঠের রাজনীতিতে শক্ত অবস্থানে আছেন তিনি।অন্যদিকে বর্তমান ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি মনোনয়ন চাইলেও তার বিষয়ে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া আছে,অনেকে বলছেন তিনি একাধিক বার নির্বাচন করে হেরেগেছেন,শিক্ষাগত যোগ্যতায় ঘাটতি আছে এবং তিনি ২০০৮ সালের পূর্বে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে ছিলেন না।পাশাপাশি বর্তমান চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান সালামের কিছুটা জনসমর্থন থাকলেও দুইবার চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়ে দলের ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দের সাথে প্রকাশ্যে বিরোধে জড়িয়ে পড়া,নিজের লোক ব্যাতীত ইউনিয়নের অন্যান্য লোকদের ইউনিয়ন পরিষদের নানাবিধ সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা,নিজে একাধিক মারামারিতে সরাসরি জড়িত থাকা,পরিষদের নানাবিধ সুযোগ সুবিধার ক্ষেত্রে ইউনিয়নকে দুটি অঞ্চলে বিভক্ত করাসহ জনমনে নানা ক্ষোভ রয়েছে তার বিষয়ে।তাছাড়া নতুন প্রার্থী মোঃ জামাল হাওলাদার ও মোঃ শাহজাহান নির্বাচন উপলক্ষে সাম্প্রতিক কালে মাঠে প্রচার প্রচারনা ও কিছু সামাজিক কাজকর্ম করলেও তারা নতুন প্রার্থী হওয়ায় তাদের বিষয়ে জনগনের ভরসা বা অাস্থা এখনো তেমনটা তৈরি হয়নি।
তবে সকল প্রার্থীই দলের মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী এবং সেজন্য দলের স্থানীয় সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক অভিভাবক আমির হোসেন আমুর সিদ্ধান্তের উপর ভরসা রাখতে চান।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন