চরফ্যাশনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাজ না করেই অর্থ আত্মসাতের পাঁয়তারা

চরফ্যাশন প্রতিনিধি বৃহস্পতিবার, জুলাই ৯, ২০২০ ৬:৪৫ অপরাহ্ণ

নিয়ম অনুযায়ী কাজ শেষ করে বিল ও ভাউচার জমা দিয়ে বরাদ্দের টাকা উত্তোলন করতে হয়। সে নিয়মের তোয়াক্কা না করে ভোলার চরফ্যাশনের ১২ প্রাথমিক বিদ্যালয় এর অনুকূলে আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে বরাদ্দের ১৮ লক্ষ টাকা ভুয়া বিল ভাউচার জমা দিয়ে উত্তোলন করে আত্মসাতের চেষ্টা চলছে।

জানা গেছে, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে চরফ্যাশনের ১২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয় হিসেবে ১৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল।

স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানাযায়, বিদ্যালয়গুলো আম্পানে তেমন কোন ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। কয়েকটি বিদ্যালয়ের টিনের চালা উড়িয়ে নেয়ার কথা বললেও বাস্তবে ওই বিদ্যালয়গুলার কোন টিনশেড ঘর ছিল না। উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে ম্যানেজ করে তথ্য গোপন করে বিদ্যালয়গুলোর বরাদ্দ করানো হয়।

ইতোমধ্যে বিদ্যালয়গুলো কাজ না করেই টাকা উত্তোলনের জন্য ভুয়া বিল ভাউচার বানিয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসে জমা দিয়েছে।
উপজেলা শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী আব্দুস সাত্তার জানান, বিদ্যালয়গুলো থেকে বিল ভাউচার জমা দিয়েছেন। এখনো তাদের কে চেক দেয়া হয়নি।

বরাদ্দপ্রাপ্ত দক্ষিণ চর মঙ্গল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম হোসেন সেন্টু তার বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে টিনশেড ঘর ছিল বলে দাবি করেন।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার তৃষিত কুমার চৌধুরী বলেন, শিক্ষকদের মন মানসিকতা ভালো থাকলে এই টাকায় বিদ্যালয়ের অন্যান্য উন্নয়ন কাজ করা সম্ভব। বরাদ্দ অনুযায়ী কাজ আদায় করে নিব।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নিখিল কুমার হালদার বলেন, তথ্য গোপন করে বরাদ্দ নিয়ে থাকলে এবং অনিয়ম হলে সরেজমিন তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।