দুর্গতদের পাশে দাঁড়াই!

কামরুল হাসান সোহাগ রবিবার, জুন ২৮, ২০২০ ১২:৪১ অপরাহ্ণ

কোভিট-১৯ মহামারির মধ্যেই পাওয়া যাচ্ছে বন্যার পুর্বাভাস। তাই সম্ভাব্য বন্যা মোকাবিলায় নিতে হবে যথাপোযুক্ত প্রস্তুুতি। বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনতে দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ যেমন জরুরী পাশাপাশি বন্যার তাৎক্ষণিক আঘাত থেকে বাঁচার জন্য বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ তৈরি করতে হবে।

দুর্গত মানুষ-প্রানিকুল যাতে নিরাপদ আশ্রয় পেতে পারে তার ব্যবস্থা করতে হবে। ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় পূর্বপ্রস্তুতি থাকলে তা অনেকটাই কমিয়ে আনা যায়। এ ব্যাপারে সহসাই যথাযথ কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নদ নদীর পানি বেড়ে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে৷ এতে করে প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন অঞ্চল। বন্যা বাংলাদেশে নতুন কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়।

বিশেষজ্ঞের মতে, আঞ্চলিক ও স্থানীয় অতিবৃষ্টি এবং ভৌত অনেক কারণ বাংলাদেশে বন্যা হওয়ার জন্য দায়ী। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন, স্থানীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে বৃক্ষ তথা বন নিধন এর জন্য বহুলাংশে দায়ী বলে গবেষকরা মনে করছেন।

দেশে কোভিট-১৯ মহামারী চলমান। এ নিয়েই উদ্বিগ্ন জনগন। তার উপরে সম্ভাব্য বন্যা যেন মরার উপর খাড়ার ঘা! এ অবস্থায় প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। নিতে হবে প্রয়োজনীয় অগ্রিম প্রস্তুুতি।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশের সফলতার বহু দৃষ্টান্ত রয়েছে। আমাদের কাজে লাগাতে হবে পূর্বের অভিজ্ঞতা। যেকোনো মূল্যে জনগনের দুর্ভোগ লাঘব করতে হবে।

মহান আল্লাহ আমাদের দেশ ও জাতিকে সকল প্রকার মহামারী ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ হতে হেফাজত করুন।

লেখক- প্রধান পৃষ্ঠপোষক- সম্ভাবনার কলসকাঠী