শেখ হাসিনার সরকার উন্নয়নের সরকার- শ. ম. রেজাউল করিম

রাহাদ সুমন শনিবার, সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৯

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, যারা পেট্রোল বোমা মেরে শিশুদের মারে, যারা স্কুল-কলেজসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুড়িয়েছে, তারা দেশের বন্ধু হতে পারে না। যারা দেশের স্বাধীনতার বিরোধীতা করেছিলো ও স্বাধীনতার ৪৮ বছর পরও এ দেশকে মেনে নিতে পারেনা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বিশ্বাস করেনা তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করতে হবে।

শনিবার সকাল ১১টায় স্বরূপকাঠি উপজেলা অডিটোরিয়ামে উন্নয়ন শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথাগুলো বলেন। তিনি আরও বলেন,শেখ হাসিনার সরকার উন্নয়নের সরকার,উন্নয়নের মেগা প্রকল্প হিসাবে পিরোজপুরে-১ আসনের জন্য সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার মেগা প্রকল্প বরাদ্ধ করা হয়েছে যাহা শিঘ্রই উন্নয়নে রুপ নিবে। এর মধ্যে ২ হাজার কোটি টাকাই স্বরূপকাঠি উপজেলার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন বঙ্গবন্ধু’র কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই একমাত্র এদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের, যাদের বাড়ি-ঘর নেই তাদের বাড়ি-ঘর নির্মান করে দেয়াসহ ভাতা প্রদান করেছেন। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য সবাই দোয়া করবেন।

স্বরূপকাঠি উপজেলা অডিটোরিয়ামে মতবিনিময় সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরকার আব্দুল্লাহ আল মামুন বাবু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. শাহ আলম, পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন, পুলিশ সুপার হায়াতুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন, পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প’র প্রকল্প পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান, স্বরূপকাঠি উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল হক, থানার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. আব্দুল হামিদ প্রমুখ।

মতবিনিময় সভায় স্বরূপকাঠি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানসহ ৯টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যবৃন্দ নিজ নিজ এলাকার বিভিন্ন সমস্যার কথা তাদের তুলে ধরেন। এর আগে সকাল ১০টায় মন্ত্রী স্বরূপকাঠি (নেছারাবাদ) থানা সংলগ্ন শীতলা খালে দেশী প্রজাতির বিভিন্ন মাছের পোনা অবমুক্ত ও মতবিনিময় সভা শেষে দুপুরে ইদিলকাঠী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবন এর উদ্বোধন করেন।

এসময় তিনি বলেন বর্তমান সরকারের নানামুখি পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের ৪র্থ তম মাছ উৎপাদনকারী দেশে উন্নীত হয়েছে। আমরা অচিরেই মাছ রপ্তানিকারক দেশের তালিকায় নাম লেখাতে পারব এবং মাছে-ভাতে বাঙ্গালীর হারানো ঐতিহ্য ফিরে পাবো।