ইলিশে সয়লাভ বরিশালের মোকাম, দামেয় কম

নিজস্ব প্রতিবেদক শুক্রবার, আগস্ট ২৩, ২০১৯

মৌসুমের মধ্য সময়ে বরিশালের মোকামগুলো রূপালি ইলিশে সয়লাভ হয়েছে। তবে ব্যবসায়ীদের চোখে এখনও গত বছরের এই সময়ের আমদানিকে ছুঁতে পারেনি বর্তমান ইলিশের আমদানি। পাশাপাশি কেজি আকারের ইলিশের আমদানিও বিগত সময়ের চেয়ে কম বলে দাবি তাদের। তার পরেও বর্তমানে যে ইলিশ আসছে এই ধারাবাহিকতা থাকলে কিছুটা হলেও লোকসান পুষিয়ে উঠা সম্ভব হবে বলে আশাবাদী তারা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে ফিশিং বোটের (সাগরে মাছ ধরার নৌ-যান) মাছই বেশি আসছে বরিশাল নগরীর পোর্টরোডের বেসরকারি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রটিতে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখনও পুরোদমে মাছ আসতে শুরু করেনি। তবে কয়েকদিন ধরে ইলিশ ধরা পড়ছে এটা ভালো লক্ষণ, এ কারণে স্থানীয় বাজারে কিছুটা ইলিশের দরও কিছুটা কম।

বরিশাল মৎস্য আড়তদার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অজিত দাস বলেন, গত মৌসুমে এইসময় পোর্টরোডের মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রটিতে মাছের আমদানি ছিল ১৫শ থেকে ২ হাজার মণ। এবছর ৮শ থেকে এক হাজার মণ ছুয়েছে। জেলেদের জালে স্থানীয় নদীর মাছ ধার পড়া শুরু হলে মাছের আমদানি আরো বাড়বে বলে আশাবাদী তিনি।

গত সপ্তাহে বরিশাল পোর্টরোড ইলিশ মোকাবে কেজি সাইজের মাছ ৪৪ হাজার টাকা, এলসি (৬-৯ শত গ্রাম) সাইজের মাছ ৩২ থেকে ৩৪ হাজার টাকা, ৪ থেকে ৬ শত গ্রাম (ভেলকা) ইলিশ ২০-২২ হাজার টাকা ও ৪শ গ্রামের মধ্যে (গোটলা) ইলিশ মাছ মণপ্রতি বিক্রি হয়েছে ১৪ থেকে হাজার টাকা দরে।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) সকালের বাজারে ইলিশ কিনে সন্তুষ্টি প্রকাশ করছেন অনেকেই। যদিও বেশিরভাগ ক্রেতার অভিযোগ প্রচুর আমদানি হলেও তেমনভাবে কমেনি ইলিশের দর।

জেলা মৎস্য অফিসের কর্মকর্তা (হিলসা) ড. বিমল চন্দ্র দাস জানান, জেলেদের কথা মাথায় রেখেই বাজারে মাছের দাম মনিটরিং করা হচ্ছে। দাম একেবারে পরে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে জেলেরা। মাছ শিকারে তাদের নিরুৎসাহী করা যাবে না। যেভাবে মাছ আসছে তাতে এবছরও ইলিশের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশাবাদী তিনি।